বারাণসী: বারাণসীর লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে থাকা (gun firing)লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল থেকে আচমকাই গুলি বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে মুম্বইগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমানে ওঠার আগে অস্ত্র পরীক্ষা করার সময় এই ঘটনা ঘটে। গুলি ছিটকে গিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত দুই AAICLAS স্ক্রিনার আহত হয়েছেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দু’জনকেই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আপাতত আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, আজমগড়ের বাসিন্দা ওই যাত্রী তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মুম্বই যাওয়ার জন্য এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের IX-1810 বিমানে (gun firing)ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিমানযাত্রার আগে তিনি তাঁর কাছে থাকা অস্ত্র এবং গুলি থাকার কথা কর্তৃপক্ষকে জানান। এরপর নিয়ম মেনে অস্ত্রটি আলাদা করে পরীক্ষা করার জন্য নিরাপত্তা হোল্ড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও দেখুনঃ হাসিনাকে ফিরিয়ে না দেওয়ারও একাধিক আইন আছে! বাংলাদেশকে পাল্টা ভারতের
সেখানেই শুরু হয় বিপত্তি। নিরাপত্তাকর্মীরা পিস্তলটি পরীক্ষা করার সময় সেটি আচমকা ফায়ার করে। আচমকা গুলির শব্দে বিমানবন্দর চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গুলির আঘাতে দুই AAICLAS স্ক্রিনার আহত হন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে এক পুরুষ নিরাপত্তাকর্মীর হাতে গুলি লাগে। অন্য এক মহিলা কর্মী হাঁটুর উপরের অংশে আঘাত পান।
বারাণসী বিমানবন্দরের ডিরেক্টর পুনীত গুপ্ত ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। (gun firing)তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই যাত্রী স্ত্রীকে নিয়ে মুম্বইগামী বিমানে যাত্রা করার কথা ছিল। যাত্রী বিমানে অস্ত্র নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আগেই ঘোষণা করেছিলেন। অস্ত্র পরীক্ষা করার সময়ই আচমকা একটি গুলি বেরিয়ে যায় এবং তাতে দুই AAICLAS স্ক্রিনার আহত হন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে নিউ লক্ষ্মী ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসা শুরু হয়েছে।
আরও দেখুনঃ জি রাম জিতে প্রথম মাসেই তৈরি হয়েছে ৯.৬৯ কোটি পারসন-ডে কাজ! দাবি সরকারের
জানা গিয়েছে, ওই যাত্রী তাঁর সঙ্গে থাকা গোলাবারুদের কথাও কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলেন। তবে অস্ত্রটি পরীক্ষা করার সময় পিস্তলের ভিতরে একটি গুলি লোড করা অবস্থায় পাওয়া যায়। যাত্রীর দাবি, পিস্তলের মধ্যে ওই গুলি থাকার বিষয়টি তিনি জানতেন না। অস্ত্রটি আনলোড করার সময়ই আচমকা সেটি থেকে গুলি বেরিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে।
ঘটনার পর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ স্থানীয় পুলিশকে খবর দেয়। কীভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্রের মধ্যে গুলি লোড অবস্থায় ছিল, সেটি কীভাবে নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় ফায়ার করল এবং অস্ত্র বহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যাত্রী সমস্ত নিয়ম মেনেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ
এই ঘটনায় AAICLAS স্ক্রিনারদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। (gun firing)AAICLAS-এর কর্মীরা বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব্যাগেজ এবং অন্যান্য সামগ্রী পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এক্স-রে মেশিন, মেটাল ডিটেক্টর এবং বিভিন্ন আধুনিক স্ক্যানিং প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁরা সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত করেন। কোনও যাত্রীর ব্যাগে অস্ত্র বা অনুমোদনহীন সামগ্রী ধরা পড়লে তাঁরা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং নিরাপত্তা সংস্থাকে বিষয়টি জানান
