কলকাতা: আরজিকর অভয়া কাণ্ডে অভিযুক্ত প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে গ্রেফতার(Suvendu Adhikari) করা হয়েছে। অভয়ার দেহ তড়িঘড়ি স্মশানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে তার উপর। এই আবহেই এবার কড়া বক্তব্য রাখলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, আগের সরকার এমন মানুষদের আশ্রয় দিয়েছিল। উদাহরণ হিসেবে তিনি আরজি কর কাণ্ডের কথা তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন ইডি ও সিবিআই সন্দীপ ঘোষের (Suvendu Adhikari)বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের জন্য নো অবজেকশন সার্টিফিকেট চেয়েছিল, কিন্তু মমতা বন্দোপাধ্যায় সেই এনওসি দেড় বছর ধরে আটকে রেখেছিলেন।নির্মল ঘোষ পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ২০২৪ সালের আগস্টে এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তাঁর দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হয়েছেন।
আরও দেখুনঃ ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে চালু হচ্ছে ওয়াটার মেট্রো! হলদিয়া জেটিতে এসে পৌঁছল এমভি কনকলতা
নির্যাতিতার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে খড়দহ থানায় নতুন এফআইআর দায়ের হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যারাকপুর পুলিশ এই তদন্ত শুরু করে। নির্মল ঘোষ ওডিশায় লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতায় নিয়ে আসছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকার এমন অভিযুক্তদের সুরক্ষা দিয়েছিল। তিনি আরজি কর কাণ্ডের তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দেন।
সন্দীপ ঘোষ তখন আরজি করের অধ্যক্ষ ছিলেন। (Suvendu Adhikari)তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের জন্য এনওসি চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা আটকে রাখা হয়। এর ফলে তদন্তে বিলম্ব হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কাজ শুরু করেছে বলে তিনি দাবি করেন।এই গ্রেফতারি আরজি কর কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। নির্যাতিতার দেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
আরও দেখুনঃ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দিল্লিতে বোমাতঙ্ক! নিশানায় লালকেল্লা-বিমানবন্দর
সৎকারের খরচও মওকুফ করা হয়। দেহ লাইনে তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও আগে সৎকার করা হয়। নির্মল ঘোষসহ স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। মুখ্যমন্ত্রী স্মরণসভায় এই বিষয়ে পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেন। তারপরই পুলিশ তৎপর হয়।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, আগের সরকারের আমলে এমন ঘটনা ঘটলেও বিচার হতো না।
এখন রাজ্য পুলিশ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। (Suvendu Adhikari)তিনি ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারকে প্রশংসা করেন গ্রেফতারির জন্য। অন্য অভিযুক্তদেরও শিগগির গ্রেফতার করা হবে বলে তিনি জানান। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, অভয়ার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
