উর্ধমুখী রসুন, আদা ও পেঁয়াজের দাম! জুলাইতে খুচরো মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.৪৫ শতাংশে

Inflation: বুধবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ফলে জুলাই মাসে খুচরো মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৪.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুন মাসে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই)…

onion

Inflation: বুধবার প্রকাশিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার ফলে জুলাই মাসে খুচরো মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৪.৪৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জুন মাসে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) বা সিপিআই-ভিত্তিক খুচরো মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৪.৩৮ শতাংশ। ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিস (NSO)-এর বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫.৫২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা আগের মাস অর্থাৎ জুনে ছিল ৫.৩২ শতাংশ। এই সময়ে খাদ্য ও পানীয়ের মূল্যস্ফীতিও ৫.০৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫.২৪ শতাংশ হয়েছে।

Advertisements

শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বেড়েছে

এ সময় সিপিআই (CPI) সূচক মাসিক ০.৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একই সময়ে খাদ্যমূল্য সূচক বেড়েছে ২.১ শতাংশ। জুলাই মাসে শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি আরও দ্রুতগতিতে বেড়েছে। জুলাই মাসে গ্রামাঞ্চলে মূল্যস্ফীতি ৪.৭৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৮৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে; অন্যদিকে শহরাঞ্চলে তা ৩.৯৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩.৯৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

   

এই বছরের প্রতি মাসে খুচরা মুদ্রাস্ফীতির হার কত ছিল? নো বাদ

জুলাই মাসে আদার দাম ৮৩.৬২ শতাংশ বেড়েছে; রসুনের দামও সাধারণ মানুষের বাজেটের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে। জুলাই মাসে রসুন, পেঁয়াজ ও আদার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জুনে পেঁয়াজের দাম ৪.৭৩ শতাংশ বাড়লেও জুলাইয়ে তা বেড়ে ২২.৫৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে রসুনের দামও বেড়েছে—জুনের ১৭.৯৩ শতাংশ বৃদ্ধির তুলনায় জুলাইয়ে তা বেড়ে ৩৫.৩৬ শতাংশ হয়েছে।

একইভাবে, জুন মাসে আদার দাম ৫০.৪১ শতাংশ বাড়ার পর জুলাই মাসে তা আরও ৮৩.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে জুলাই মাসে কিছু সবজির দাম কমতেও দেখা গেছে। এ সময় আলুর দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬.৫৬ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ঢেঁড়সের দাম ৫.৫২ শতাংশ, মটরশুঁটির দাম ৫.২৭ শতাংশ এবং টমেটোর দাম ৪.৫৯ শতাংশ কমেছে।

Advertisements

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া

উল্লেখ্য যে, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI)-র ওপর খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার ৪ শতাংশে (সাথে +/- ২ শতাংশের সহনসীমা বা ‘টলারেন্স ব্যান্ড’) বজায় রাখার দায়িত্ব ন্যস্ত রয়েছে। চলতি মাসের শুরুর দিকে মুদ্রাস্ফীতি সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে, আরবিআই টানা চতুর্থবারের মতো রেপো রেট ৫.২৫ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখেছে।

Also Read |  পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

Also Read | কংগ্রেসের কারণে কলকাতা ছাড়েন তসলিমা! বিস্ফোরক তৎকালীন শরিক সিপিএম নেতা

Also Read | IRCTC-এর ৯ দিনের তীর্থযাত্রা ট্রেন: জ্যোতির্লিঙ্গ থেকে দ্বারকা-অক্ষরধাম, ভাড়া ও রুট জানুন

Also Read | মিরিক লেককে আরও সুন্দর করতে ১০০কোটির পর্যটন প্রকল্প শুভেন্দু সরকারের

Advertisements