মালদা: মালদায় জাতীয় সড়ক-১২-এর উন্নয়নে বড় খবর । ( NH-12)কেন্দ্রীয় সরকার এই সড়ক উন্নয়নে ৯০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। প্রশাসনিক অনুমোদন আগামী তিন মাসের মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। এরপর টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে। নকশা ও ব্যয় অনুমান গত ২৩ জুলাই শেষ হয়েছে। মালদার সবচেয়ে বড় সড়ক জটের স্থায়ী সমাধান হতে চলেছে এই প্রকল্প।প্রকল্পের আওতায় কালিয়াচকে একটি ফ্লাইওভার তৈরি করা হবে।
এর সঙ্গে থাকবে সার্ভিস রোড, একাধিক আন্ডারপাস, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং উন্নত রাস্তার আলো। এনএইচ-১২ বাংলার একাধিক জেলাকে সংযুক্ত করে এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য করিডোর। প্রতিদিন মালদা দিয়ে কোটি কোটি টাকার পণ্য চলাচল করে।মালদা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত।
আরও দেখুনঃ নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়ি যাওয়ার পথে মমতাকে পাথর বৃষ্টি! ছড়াল চাঞ্চল্য
এখানকার (NH-12)যানজট কমাতে পারলে শুধু রাস্তার উন্নয়নই হবে না। মালবাহী পরিবহনের দক্ষতা বাড়বে, সড়ক নিরাপত্তা উন্নত হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হবে। ব্যবসায়ী মহল ইতিমধ্যেই এই করিডোরকে চার লেন থেকে আট লেনে উন্নীত করার দাবি তুলেছেন।এনএইচ-১২-এর এই অংশে দীর্ঘদিন ধরে যানজটের সমস্যা রয়েছে। বিশেষ করে কালিয়াচক এলাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ।
ফ্লাইওভার তৈরি হলে সেই জট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সার্ভিস রোড ও আন্ডারপাস থাকায় স্থানীয় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলও সহজ হবে। আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্ষার সময় জলাবদ্ধতা কমাবে। উন্নত আলো ব্যবস্থা রাতের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ করবে।কেন্দ্রীয় সরকারের ৯০০ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ মালদার সড়ক পরিকাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
আরও দেখুনঃ এয়ার ইন্ডিয়া টার্বুলেন্স কাণ্ডে বিশাল মোড়! পাইলটের ডোপ টেস্ট পসিটিভ
প্রশাসনিক অনুমোদন তিন মাসের মধ্যে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নকশা ও ব্যয় অনুমান ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। ফলে অনুমোদনের পর দ্রুত টেন্ডার ডাকা সম্ভব হবে। কাজ শুরু হলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হবে।এনএইচ-১২ (NH-12)শুধু মালদার জন্য নয়, পুরো উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য পরিবহন হয়।
যানজটের কারণে সময় ও খরচ দুই-ই বেড়ে যায়। উন্নয়ন কাজ শেষ হলে মালবাহী ট্রাকগুলো দ্রুত চলাচল করতে পারবে। এতে ব্যবসায়ীদের খরচ কমবে এবং পণ্য সরবরাহের গতি বাড়বে।স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল এই প্রকল্পকে স্বাগত জানিয়েছেন।
আরও দেখুনঃ কলকাতা-শিলিগুড়ি রিং রোড প্রকল্পে সবুজ সংকেত! এবার বদলে যাবে দুই শহরের মানচিত্র
তারা বলছেন, চার লেন থেকে আট লেনে উন্নীত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে আরও বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। বর্তমানে যে যানজট রয়েছে, তা কমাতে ফ্লাইওভার ও অন্যান্য ব্যবস্থা সহায়ক হবে। তবে ভবিষ্যতের চাপ সামলাতে আরও প্রশস্ত রাস্তার প্রয়োজন। সেই দাবিও তারা তুলে ধরেছেন।
