নয়াদিল্লি: দিল্লি পুলিশ একজন ভারতীয় বিমান বাহিনীর উইং কমান্ডারকে গ্রেফতার করেছে (information leak)। অভিযোগ, তিনি সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা তথ্য ফাঁস করেছেন। পুলিশের দাবি, এক মহিলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি প্রতারিত হন এবং সেই মহিলা পাকিস্তানি গোয়েন্দা হ্যান্ডলারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।ঘটনাটি মে মাসে ঘটে। বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে আনে এবং দিল্লি পুলিশকে তথ্য দেয়।
এরপর অফিসারকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁকে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি বিচারিক হেফাজতে রয়েছেন। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে (information leak)। বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন।পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, অফিসার সামাজিক মাধ্যমে এক মহিলার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময় পার করার সময় এই যোগাযোগ হয়।
আরও দেখুনঃ অনুপ্রবেশ রুখতে বড় সিদ্ধান্ত! ভারত-নেপাল সীমান্তে বাধ্যতামূলক হল ফেস রিকগনিশন-বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং
পরে তা নিয়মিত আলাপে পরিণত হয়। অভিযোগ, এর মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করা হয়। পুলিশ আরও সন্দেহ করছে যে এটি বৃহত্তর গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের অংশ, যার লক্ষ্য ভারতের সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ।বিমান বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে অফিসার নজরদারিতে ছিলেন এবং পরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, বিদেশি হ্যান্ডলারদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইলেকট্রনিক ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।এ ধরনের ঘটনা প্রতিরক্ষা কর্মীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। (information leak)সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে যোগাযোগের ঝুঁকি নিয়ে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বারবার সতর্ক করে আসছে। বিমান বাহিনী ও অন্যান্য সংস্থা এখন অভ্যন্তরীণ নজরদারি জোরদার করেছে।জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের মামলা গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়।
আরও দেখুনঃ গান্ধী অতীত! নতুন নোটে আম্বেদকরের প্রতিকৃতির প্রস্তাব কংগ্রেস নেতার
তদন্তে আরও তথ্য উদ্ঘাটিত হলে পুরো নেটওয়ার্কের চিত্র স্পষ্ট হতে পারে। আদালতে মামলার অগ্রগতি দেখার বিষয়। নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বলছে, এ ধরনের প্রচেষ্টা মোকাবিলায় সতর্কতা অব্যাহত থাকবে।ঘটনাটি প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংবেদনশীল তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত ও মানবিক উভয় দিক থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দিল্লি পুলিশ ও বিমান বাহিনীর যৌথ তদন্তে আরও জড়িতদের খোঁজ চলছে। জাতীয় স্বার্থে তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা অপরিহার্য।
