নয়াদিল্লি: বিহারের ভারত-নেপাল সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টগুলোতে (biometric screening)এখন ফেস রিকগনিশন ও বায়োমেট্রিক স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগে শুধু পরিচয়পত্র দেখিয়ে সীমান্ত পার হওয়া যেত। এখন ডিজিটাল যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এই পদক্ষেপ অনুপ্রবেশ ও জাল নথি ব্যবহার রোধে বড় ধরনের পদক্ষেপ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
সুপৌল জেলার ভীমনগর ও কানহৌলি চেকপোস্টে নতুন ব্যবস্থা চালু হয়েছে। সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি জানিয়েছে, সীমান্ত পার হওয়া প্রতিটি ব্যক্তির মুখের স্ক্যান ও বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হচ্ছে। পরিচয়পত্রের হার্ড কপিও বাধ্যতামূলক। মোবাইলে সংরক্ষিত ডিজিটাল কপি আর গ্রহণযোগ্য নয়। প্রথমবার যাঁরা যাচ্ছেন, তাঁদের তথ্য রেকর্ড করা হচ্ছে।এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা।
আরও দেখুনঃ ডিপফেক রুখতে কড়া কেন্দ্র, মেটাকে অ্যালগরিদমে বদল আনার নির্দেশ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের
ভারত-নেপাল সীমান্ত উন্মুক্ত প্রকৃতির হওয়ায় অনুপ্রবেশ ও অবৈধ কার্যকলাপের আশঙ্কা থাকে। (biometric screening)জাল নথি ব্যবহার করে প্রবেশের ঘটনাও ঘটেছে। ফেস রিকগনিশন ও বায়োমেট্রিক সিস্টেম এসব রোধে সাহায্য করবে বলে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো মনে করছে।আধার কার্ড যেমন শাসন ব্যবস্থাকে রূপান্তরিত করেছে, তেমনি এই ডিজিটাল স্ক্রিনিং সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
ভবিষ্যতে দেশের সব সীমান্তে এ ধরনের ব্যবস্থা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াচ্ছে (biometric screening)। উত্তরাখণ্ডের কিছু পয়েন্টে পাইলট প্রজেক্টও চালু হয়েছিল।নতুন নিয়মে সীমান্ত পার হতে সময় লাগছে। চেকপোস্টে লম্বা সারি দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়রা ও যাত্রীরা কিছুটা অসুবিধার কথা বললেও নিরাপত্তার স্বার্থে এটি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করছেন অনেকে। এসএসবি কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যবস্থাটি নাগরিকদের জন্য সুবিধাজনক করার পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
আরও দেখুনঃ ‘জেন জেড’-এর মন জয়ে মরিয়া সোরেন! মতামত জানতে চালু ইমেল আইডি
ভারত ও নেপালের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করেন। তবে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার জরুরি হয়ে পড়েছে। ফেস রিকগনিশন সিস্টেম সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে।
তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত হওয়ায় পরবর্তী নজরদারিও সহজ হবে (biometric screening)।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সীমান্ত নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। অনুপ্রবেশ, মানব পাচার বা অন্যান্য অবৈধ কার্যকলাপ কমাতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বৈধ যাত্রীদের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখার ব্যবস্থাও করতে হবে।
