নয়াদিল্লি: দেশের প্রতিটি রাস্তায় পথচারীদের জন্য সুরক্ষিত ও জবরদখলমুক্ত হাঁটার জায়গা নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্র সরকারকে কড়া নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, যেখানেই রাস্তা থাকবে, সেখানেই ওয়াকার্স স্পেস বা পদচারীদের জন্য আলাদা জায়গা থাকা বাধ্যতামূলক। এর আগে গত ১৯ জুন সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট ফুটপাতে হাঁটার অধিকার আসলে নাগরিকদের একটি মৌলিক অধিকার।
কী নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট?
বিচারপতি পি এস নরসিমা এবং বিচারপতি অলোক আরাধের বেঞ্চ কেন্দ্র সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, হাঁটার জন্য নির্ধারিত স্থানগুলি যেন কোনওভাবেই বেদখল না হয় এবং তা মোটরচালিত গাড়ির লেন থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা থাকে। অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল কে এম নটরাজকে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কথা বলেছে আদালত।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, এর জন্য বড় অঙ্কের বিনিয়োগ বা নির্মাণের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র দড়ি দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে পথচারীদের হাঁটার জায়গাটি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত (ডেমার্কেট) করে দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যাতে সেখানে কোনো জবরদখল না থাকে। পথচারীদের মনে এই ভরসা থাকা জরুরি যে ওই নির্দিষ্ট জায়গাটি কেবল তাঁদের জন্যই তৈরি এবং কোনো যানবাহনের ভয় ছাড়াই তারা সেখানে স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারবেন। আগামী দুই সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
ফুটপাতে হাঁটা মৌলিক অধিকার
এর আগে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল যে, নির্দিষ্ট ফুটপাতে হাঁটার অধিকার নাগরিকদের একটি মৌলিক অধিকার এবং যানবাহনের তুলনায় পথচারীদের নিরাপত্তাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। সংবিধানের ১৯(১)(ডি) অনুচ্ছেদের অধীনে চলাফেরার স্বাধীনতা এবং ২১ অনুচ্ছেদের (জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার) আওতাভুক্ত এই অধিকার। আদালতের মতে, চিহ্নিত ফুটপাতে চলাফেরা করার এই প্রাথমিক অধিকারে কোনো বাধা সৃষ্টি হলে নাগরিকরা সাংবিধানিক প্রতিকার এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হবেন।
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
