ধর্মীয় পোশাক ছিঁড়েছে আরশোলারা! নেতা দীপকেকে ক্ষমা চাওয়ার হুঁশিয়ারি শিখ সম্প্রদায়ের

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে NEET-UG প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলন। (Abhijeet Dipke)এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিহাঙ্গ শিখদের একাংশ ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা…

abhijeet-dipke-nihang-sikh-row

নয়াদিল্লি: দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছে NEET-UG প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলন। (Abhijeet Dipke)এই আবহেই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নিহাঙ্গ শিখদের একাংশ ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে প্রকাশ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

Advertisements

তাঁদের দাবি, আন্দোলন চলাকালীন এক হাতাহাতির ঘটনায় অভিজিৎ দীপক এক শিখ ব্যক্তির ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় পোশাক ‘বানা’ (Bana) ছিঁড়ে ফেলেছেন। নিহাঙ্গ প্রতিনিধিদের মতে, এটি শুধু একজন ব্যক্তির প্রতি অসম্মান নয়, বরং সমগ্র শিখ ধর্মীয় ঐতিহ্য ও পরিচয়ের অবমাননা।

   

নিহাঙ্গ শিখদের বক্তব্য তাঁরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ওই আন্দোলনে যোগ দেননি। তাঁদের দাবি, ছাত্রছাত্রী ও আন্দোলনে অংশ নেওয়া মহিলাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তাঁরা যন্তর মন্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে তাঁদের এক শিখ ভাইয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে তাঁরা অত্যন্ত অপমানজনক বলে মনে করছেন।

আরও দেখুনঃ ‘আদেশের নয়, আলোচনার প্রয়োজন’, তরুণ প্রজন্মকে বুঝতে সওয়াল ভাগবতের

Advertisements

অভিযোগের পর সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিহাঙ্গ প্রতিনিধিরা জানান, শিখ ধর্মে ‘বানা’ কেবল একটি পোশাক নয়, এটি ধর্মীয় পরিচয়, আত্মমর্যাদা এবং ঐতিহ্যের প্রতীক। সেই পবিত্র পোশাক ছিঁড়ে ফেলা তাঁদের মতে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। তাই এই ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে অভিজিৎ দীপককে।

নিহাঙ্গ শিখদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিজিৎ দীপককে পাঁচজন নিহাঙ্গ সিং-এর সামনে এসে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। এর জন্য তাঁরা সকাল ১১টা পর্যন্ত সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি ক্ষমা না চাওয়া হয়, তাহলে তাঁরা নিজেরাই মঞ্চে উঠে সরাসরি ব্যবস্থা নেবেন। যদিও “ব্যবস্থা নেওয়া” বলতে ঠিক কী বোঝানো হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

আরও দেখুনঃ তথাকথিত ছাত্র বিক্ষোভে দাগি আসামিদের আটকাতে ফেস রিকগনিশন ব্যবহার পুলিশের

এই ঘটনার জেরে আন্দোলনের পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নিহাঙ্গ প্রতিনিধিরা স্পষ্ট ভাষায় জানান, ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে তাঁদের কোনও সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। তাঁরা শুধুমাত্র ছাত্রদের স্বার্থ এবং নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখেই সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে এসে তাঁদের ধর্মীয় মর্যাদায় আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।

Advertisements