‘এক বছরের মধ্যেই সরকার পড়বে!’ সাসপেন্ড হয়েই ভবিষ্যৎবাণী কল্যাণের

নয়াদিল্লি: লোকসভা থেকে অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড হয়েছেন (Kalyan Banerjee)তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। সাসপেন্ড হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগুনঝরা বক্তব্য রেখেছেন।…

kalyan-banerjee-suspension

নয়াদিল্লি: লোকসভা থেকে অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড হয়েছেন (Kalyan Banerjee)তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়। সাসপেন্ড হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগুনঝরা বক্তব্য রেখেছেন। সাসপেনশন নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেছেন, “এখান থেকে আমাকে সাসপেন্ড করে ওরা কী পাবে? ওটা মাত্র কুড়ি জনের দল। দেড় মাস পর কলকাতায় মিটিং করেছে। ওদের কুড়ি জন ভোটারও নেই।

Advertisements

ওদের কিছুই নেই। পশ্চিমবঙ্গে একজনও ওদের ভোট দেয়নি। ওরা সবাই বিশ্বাসঘাতক ও অসৎ মানুষ। সরকার এক বছরের মধ্যে পড়ে যাবে।”কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য সংসদের ভিতরে-বাইরে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি স্পষ্টতই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের লক্ষ্য করে কথা বলেছেন। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সাংসদ দলের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছেন।

   

আরও দেখুনঃ বিদ্যুৎ চুরিতে ‘জিরো টলারেন্স’! হুকিং রুখতে নতুন ‘বিদ্যুৎ প্রহরী’ অ্যাপ আনল সরকার

কল্যাণবাবু তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলে আখ্যায়িত করে বলেছেন, ওদের কোনো জনসমর্থন নেই। পশ্চিমবঙ্গে ওদের একজন ভোটারও নেই বলে তিনি দাবি করেছেন।তৃণমূলের এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল বাংলায় শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও, কেন্দ্রে বিরোধী জোটের মধ্যে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত অভিজ্ঞ সাংসদের এই আক্রমণাত্মক বক্তব্য দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভকেও প্রকাশ করছে।

Advertisements

তিনি বলেছেন, সাসপেন্ড করে তাঁকে চুপ করানো যাবে না। বরং এতে তাঁর লড়াই আরও জোরদার হবে।বিজেপি শিবির অবশ্য এই ঘটনায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিভেদকে তুলে ধরেছে। তাঁরা বলছেন, তৃণমূল কংগ্রেস এখন নিজেদের মধ্যেই লড়াই করছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আগে দলের নিজস্ব ঘর সামলাক।

আরও দেখুনঃ নেপালের মুদ্রা থেকে সরল লিপুলেখ-কালাপানির ছবি! কড়া জবাব ভারতের

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সরকার পড়বে এক বছরের মধ্যে” মন্তব্যকে বিজেপি নেতারা অবাস্তব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁরা মনে করেন, মোদী সরকার স্থিতিশীল এবং জনসমর্থন নিয়ে এগোচ্ছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য শুধু বিদ্রোহীদের উদ্দেশ্যে নয়, পুরো বিরোধী রাজনীতির প্রতি একটা বার্তা।

তিনি স্পষ্ট করে বলতে চেয়েছেন যে, ছোট ছোট বিদ্রোহ দিয়ে বড় দলকে নড়ানো যাবে না। তৃণমূলের মতো আঞ্চলিক শক্তিশালী দলের অভ্যন্তরে এমন ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসা দলীয় শৃঙ্খলার প্রশ্নও তুলেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল কতটা সংহত থাকতে পারবে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

Advertisements