হিজবুল জঙ্গি ইমতিয়াজকে রেডকর্নার নোটিস জারি ইন্টারপোলের

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (Interpol) একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। ২০১৩ সালের একটি সন্ত্রাসবাদী মামলায় হিজবুল মুজাহিদিনের চিহ্নিত জঙ্গি ইমতিয়াজ আহমেদ কান্দুয়ের…

interpol-red-corner-imtiyaz-kandoo

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (Interpol) একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। ২০১৩ সালের একটি সন্ত্রাসবাদী মামলায় হিজবুল মুজাহিদিনের চিহ্নিত জঙ্গি ইমতিয়াজ আহমেদ কান্দুয়ের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস জারি করা হয়েছে। শনিবার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন। এই অর্জন কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদ দমন অভিযানে এক নতুন মাইলফলক বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisements

ইমতিয়াজ আহমেদ কান্দুয়ু হিজবুল মুজাহিদিনের একজন সক্রিয় সদস্য। ২০১৩ সালের একটি সন্ত্রাসবাদী হামলায় তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। এসআইএ দীর্ঘদিন ধরে তার খোঁজ চালাচ্ছিল। অবশেষে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহায়তায় রেড কর্নার নোটিস জারি করা সম্ভব হয়েছে। এই নোটিসের ফলে বিশ্বের যেকোনো দেশে তাকে চিহ্নিত করা গেলে গ্রেফতার করে ভারতে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

   

আরও দেখুনঃ অনুষ্ঠান হোক বা খেলার মাঠ ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে হবে আগে পরে ‘জন গণ’! নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

রেড কর্নার নোটিস ইন্টারপোলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তাগুলোর একটি। এটি জারি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিকভাবে খুঁজে বের করা হয়। কাশ্মীর পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইমতিয়াজ দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় লুকিয়ে ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এসআইএর তদন্তে তার সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের বেশ কিছু প্রমাণ মিলেছে।

Advertisements

২০১৩ সালের ঘটনায় তার সরাসরি যোগসূত্র ছিল বলে অভিযোগ।কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ দমনে এসআইএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই সংস্থা বিভিন্ন মামলায় তদন্ত করে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজে বের করছে। ইমতিয়াজের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি হওয়ায় পুলিশের মনোবল আরও বেড়েছে।

আরও দেখুনঃ ভিয়েতনামের ফু কোক দ্বীপে ভয়ঙ্কর স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ ভারতীয়

কর্মকর্তারা বলছেন, এটি শুধু একজন জঙ্গিকে খুঁজে বের করার বিষয় নয়, বরং কাশ্মীরের শান্তি প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ।স্থানীয় মানুষের মধ্যে এই খবর ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকে বলছেন, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় সাধারণ জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হচ্ছে। পর্যটন বাড়ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা হচ্ছে। তবে কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, শুধু নোটিস জারি করলেই চলবে না। আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

Advertisements