মোদী রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে গ্রেফতার ৮ জৈশ জঙ্গি

আহমেদাবাদ: গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জইশ-ই-মোহাম্মদ (Jaish-e-Mohammed )-এর সঙ্গে যুক্ত আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর…

jaish-e-mohammed-arrest-gujarat

আহমেদাবাদ: গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে জইশ-ই-মোহাম্মদ (Jaish-e-Mohammed )-এর সঙ্গে যুক্ত আট অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই চক্রটি গুজরাটে সক্রিয় জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল এবং জইশ-ই-মোহাম্মদের হয়ে কাজ করছিল।

Advertisements

গত কয়েকদিনে গুজরাটের বিভিন্ন জেলা থেকে এবং মধ্যপ্রদেশের কয়েকটি জায়গা থেকে এই আটজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন স্থানীয় যুবক, আবার কেউ কেউ অন্য রাজ্য থেকে এসে নেটওয়ার্ক বিস্তার করছিলেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা জইশ-ই-মোহাম্মদের নির্দেশে গুজরাটে জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর পরিকল্পনা করছিল।

   

আরও দেখুনঃ ভারতকে অস্ত্র দেবে জাপান! দুই দেশকেই চিঠি দিয়ে সতর্ক করল উদ্বিগ্ন চিন

অস্ত্র সংগ্রহ, অর্থায়ন এবং স্থানীয় যুবকদের মধ্যে চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়ানো এসব কাজে তারা জড়িত ছিল বলে অভিযোগ।গুজরাট পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ১৪ দিনের রিমান্ডে তদন্তকারীরা তাদের মোবাইল, ল্যাপটপ, নথিপত্র এবং অন্যান্য সামগ্রী খতিয়ে দেখবেন। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা বের করার চেষ্টা চলছে।

Advertisements

আরও দেখুনঃ কাউকে ছাড় নয়! এবার রাম মন্দিরে চুরিতে অভিযুক্ত লবকুশ মিশ্রের বাড়িতে চলবে বুলডোজার

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জইশ-ই-মোহাম্মদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল।এই গ্রেপ্তার গুজরাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গুজরাটে জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা রাজ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। গত কয়েক বছরে রাজ্যে সন্ত্রাস দমনে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সক্রিয় রয়েছে। এই অভিযান তারই অংশ।রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “কোনো সন্ত্রাসবাদী চক্রকে গুজরাটে সক্রিয় হতে দেওয়া হবে না।

যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।” গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগেও বিভিন্ন অপরাধমূলক মামলা রয়েছে। তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেখান থেকে চরমপন্থী ভিডিও ও প্রচারমূলক পোস্ট পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা স্থানীয় যুবকদের মধ্যে উগ্রবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছিল।

আরও দেখুনঃ সন্ত্রাসবাদেই চুক্তি স্থগিত, সিন্ধু জল নিয়ে পাক হুমকি উড়িয়ে জবাব ভারতের

এই ঘটনা উত্তর-পশ্চিম ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে। জইশ-ই-মোহাম্মদের মতো সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে ভারতে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে। পাকিস্তানভিত্তিক এই সংগঠনের সদস্যরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নেটওয়ার্ক গড়ার চেষ্টা করে। গুজরাটের মতো শিল্পোন্নত রাজ্যে এমন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক।

Advertisements