গেরুয়া রাজ্যে ৪০০০ র বেশি মাদ্রাসার তদন্তে সবুজ সংকেত দিল হাইকোর্ট

প্রয়াগরাজ: উত্তরপ্রদেশের মাদ্রাসাগুলোতে বিদেশি অর্থায়ন ও (High Court)অনিয়মের অভিযোগে চলছে তদন্ত। এই তদন্তে বড় ধরনের সবুজ সংকেত দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS)…

allahabad-high-court-madrasa-investigation

প্রয়াগরাজ: উত্তরপ্রদেশের মাদ্রাসাগুলোতে বিদেশি অর্থায়ন ও (High Court)অনিয়মের অভিযোগে চলছে তদন্ত। এই তদন্তে বড় ধরনের সবুজ সংকেত দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালত অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) ও স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)-কে অনুমতি দিয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, নথিপত্র ও আর্থিক রেকর্ড খতিয়ে দেখার।

Advertisements

এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের ৪,০০০-র বেশি মাদ্রাসায় অনিয়মের তদন্ত আরও জোরদার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায়কে অনেকে রাজ্যের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। বিচারপতিরা বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বচ্ছতার স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় সুবিধা দেওয়া উচিত।

   

আরও দেখুনঃ ই-রিকশা অচল করে তোলাবাজি! চিনা অ্যাপ ‘ব্যাট-বিএমএস’ সরানোর নির্দেশ কেন্দ্রের

আদালতের নির্দেশ অনুসারে, তদন্তকারীরা এখন মাদ্রাসাগুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব, বিদেশি অনুদানের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা করতে পারবেন।উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই তদন্তে কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে হয়রানি করা হবে না। শুধু অনিয়ম ও বিদেশি অর্থায়নের অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হবে। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, বেশ কিছু মাদ্রাসায় বিদেশ থেকে অর্থ আসার তথ্য পাওয়া গেছে। কোন কোন দেশ থেকে টাকা আসছে, কী উদ্দেশ্যে আসছে এবং সেই টাকা আসলে কোথায় ব্যয় হচ্ছে এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে।

এই তদন্তের পেছনে রয়েছে জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগ। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিছু মাদ্রাসায় বিদেশি অর্থায়নের মাধ্যমে চরমপন্থী কার্যকলাপ ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে। এটিএস ও এসআইটি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি মাদ্রাসায় অনুসন্ধান চালিয়েছে। হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের পর তদন্তের গতি আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু নেতা এই তদন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Advertisements

আরও দেখুনঃ চিন-পাকিস্তান সীমান্তে নজর! সেনার হাতে আসছে ‘কে-৯ বজ্র’ ও ‘কামিকাজে’ ড্রোন

তারা বলছেন, মাদ্রাসাগুলো শিক্ষা ও ধর্মীয় কার্যকলাপের জন্য পরিচালিত হয়। এখানে অযথা হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হবে এবং নিয়ম মেনে চলা মাদ্রাসাগুলোকে কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না।এদিকে, শিক্ষাবিদ ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, মাদ্রাসাগুলোতে স্বচ্ছতা আনা জরুরি। অনেক মাদ্রাসা আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষা দিচ্ছে, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তের ফলে যদি স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়, তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নেও সাহায্য হবে।

Advertisements