মোদী রাজ্যে অবৈধ কসাইখানা ভেঙে চরম পুলিশি দাওয়াই

আহমেদাবাদ: গুজরাটের আহমেদাবাদে পুলিশ একটি বড় অবৈধ গো-কসাইখানা বাজেয়াপ্ত করেছে। (llegal slaughterhouse)ভেজলপুর এলাকায় সোনাল সিনেমার কাছে অভিযান চালিয়ে ৫২০ কেজি মাংস ও একটি জীবিত বাছুর…

ahmedabad-illegal-slaughterhouse-police-raid

আহমেদাবাদ: গুজরাটের আহমেদাবাদে পুলিশ একটি বড় অবৈধ গো-কসাইখানা বাজেয়াপ্ত করেছে। (llegal slaughterhouse)ভেজলপুর এলাকায় সোনাল সিনেমার কাছে অভিযান চালিয়ে ৫২০ কেজি মাংস ও একটি জীবিত বাছুর উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও ছয়জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় গোপনে গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছিল।

Advertisements

অভিযুক্তরা হলেন মুস্তাক তাহিরভাই মাসারিওয়ালা (২৮), রায়েজ ইনায়াত হুসেইন শেখ (২৩) এবং মুনাফ মোহাম্মদভাই দিওয়ান (৩২)। পুলিশ জানিয়েছে, বাকি ছয়জন পলাতক রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এই অভিযান চালায়। অনেকেই জানিয়েছেন, রাতের অন্ধকারে ট্রাকে করে গরু আনা-নেওয়া করা হত।

   

আরও দেখুনঃ লেবাননকে ৪-০ উড়িয়ে শেষ আটের আশা জিইয়ে রাখল ভারত

এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। কয়েকজন স্থানীয় যুবক বলেন, “আমরা অনেকদিন ধরে সন্দেহ করছিলাম। পুলিশকে জানানোর পর তারা দ্রুত অ্যাকশন নিয়েছে।” উদ্ধার করা মাংসের নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে এবং জীবিত বাছুরটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।গুজরাটে গো-হত্যা ও অবৈধ গো-কসাইখানার বিরুদ্ধে আইন কঠোর।

এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ শুধু আইন ভঙ্গই নয়, স্থানীয় স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্যও হুমকি। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, “এই চক্রটি সংগঠিতভাবে কাজ করছিল। আমরা শুধু এই জায়গা নয়, পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে চাই। মাংস বিক্রির টাকা কোথায় যেত, কারা সাপ্লাই চেইনের সঙ্গে জড়িত সবকিছু তদন্ত করা হচ্ছে।”এই ঘটনা আহমেদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।

Advertisements

অনেকে বলছেন, শহরের কাছাকাছি এমন অবৈধ কসাইখানা থাকা চিন্তার বিষয়। ধর্মীয় অনুভূতির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণেও এসব কার্যকলাপ বন্ধ করা জরুরি। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলো এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে এবং পুলিশের আরও কঠোর অবস্থানের দাবি করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গো-হত্যা, অবৈধ বাণিজ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতে তোলার পর তাদের রিমান্ডে নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এই চক্রের সঙ্গে বাইরের কোনো বড় নেটওয়ার্ক জড়িত কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisements