যোগী রাজ্যে পুলিশের জালে হাওয়ালা চক্রী মাহফুজ আলম

কানপুর: উত্তরপ্রদেশের কানপুর পুলিশ এক বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির রাশ ধরে ফেলেছে। (Mahfuz Alam)১৬০০ কোটি টাকার বিশাল প্রতারণার মূলচক্রী মাহফুজ আলম ওরফে পাপ্পু ছুরিকে গ্রেফতার করা…

mahfuz-alam-hawala-racket-kanpur-arrest

কানপুর: উত্তরপ্রদেশের কানপুর পুলিশ এক বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির রাশ ধরে ফেলেছে। (Mahfuz Alam)১৬০০ কোটি টাকার বিশাল প্রতারণার মূলচক্রী মাহফুজ আলম ওরফে পাপ্পু ছুরিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ব্যক্তি জাল কোম্পানি খুলে এবং ৬৮টিরও বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ৩২০০ কোটি টাকারও বেশি লেনদেন করেছে। এই ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।মাহফুজ আলমকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল পুলিশ।

Advertisements

কানপুরের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ছিল তার বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, তিনি জালিয়াতির এক বিশাল নেটওয়ার্ক চালাতেন। বিভিন্ন নামে জাল কোম্পানি খুলে GST রিটার্ন জমা দিয়ে সরকারের কাছ থেকে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট নিয়ে আত্মসাৎ করতেন। এই টাকা হাওলা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দিতেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

   

আরও দেখুনঃ নিন্দুকদের জল্পনা উড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম প্রস্তাব করেন দিলীপই

এই কেলেঙ্কারিতে ৩২০০ কোটি টাকার লেনদেনের হিসাব মিলেছে, যার মধ্যে ১৬০০ কোটি টাকার সরাসরি প্রতারণা হয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। মাহফুজ আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলোতে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর টাকা ঢুকত। পরে সেই টাকা বিদেশেও পাচার হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এবং আয়কর বিভাগ ইতিমধ্যে এই মামলায় তদন্ত শুরু করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, এই প্রতারণার সঙ্গে হাওলা, অবৈধ অর্থ লেনদেন এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদী অর্থায়নের যোগসূত্র থাকতে পারে। এই আশঙ্কায় জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোও সতর্ক হয়েছে। পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, “এটি শুধু আর্থিক প্রতারণা নয়, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও জড়িত হতে পারে। আমরা প্রতিটি সূত্র অনুসরণ করছি।”মাহফুজ আলমের গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কানপুরসহ উত্তরপ্রদেশে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

Advertisements
Advertisements