ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এবার যুদ্ধে নামল হুথি বিদ্রোহীরা

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে নতুন মোড়। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা (Houthi rebels)আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষে ইসরায়েল এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেছে। শনিবার সকালে তারা…

houthi-rebels-missile-attack-israel-iran-support-middle-east-war

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে নতুন মোড়। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা (Houthi rebels)আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের পক্ষে ইসরায়েল এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার ঘোষণা করেছে। শনিবার সকালে তারা ইসরায়েলের দিকে প্রথম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলতে থাকায় আক্রমণের প্রতিক্রিয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

Advertisements

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।হুথি নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই বলেছিলেন যে, “আমাদের আঙুল ট্রিগারে রয়েছে”। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যদি আমেরিকা ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আরও দেশকে জড়ায় বা লোহিত সাগরকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করে, তাহলে তারা সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। শনিবারের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন বলে মনে করছে কূটনীতিকরা।

   

আরও দেখুনঃ চোটে ধোনি বাইরে, আইপিএলের প্রথম দুই সপ্তাহ খেলতে পারবেন না

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি দক্ষিণাঞ্চলে আকাশপথে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে হুথিরা দাবি করেছে যে, তারা ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।এই হামলা ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধের এক মাস পর ঘটল। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল ও আমেরিকা ইরানের নিউক্লিয়ার স্থাপনা, ইস্পাত কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে বারবার আঘাত করেছে।

ইরানও পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এখন হুথিদের যোগদানের ফলে যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট খুলে গেল। লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাব প্রণালী আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে, যা বিশ্বের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলকে প্রভাবিত করবে।হুথি নেতা আব্দুল মালিক আল-হুথি আগেই বলেছিলেন, তারা ইসলাম ও ইসলামি জাতির প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না। ইরানের বিরুদ্ধে “অন্যায় আক্রমণ” চলছে বলে তারা মনে করেন। হুথিদের এই পদক্ষেপ ইরানের “প্রতিরোধের অক্ষ” (Axis of Resistance)-এর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরাকের কিছু মিলিশিয়া গোষ্ঠীও ইরানের পক্ষে সক্রিয় রয়েছে।

Advertisements
Advertisements