ঢাকা: ঢাকায় গতকাল রাতভর একের পর এক ককটেল বা অস্থায়ী বোমা বিস্ফোরণের (Dhaka)ঘটনায় শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মালিবাগ, মহাখালী, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী, মগবাজার, বাবুবাজার ও রামপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা কলেজের সামনেও বিস্ফোরণের খবর রয়েছে। এই ঘটনার ঠিক একদিন আগেই পাকিস্তানেও জুম্মার নামাজের সময় ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ হয়।
পুলিশ ঘটনাগুলো তদন্ত করছে এবং শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।শুক্রবার জুমার নামাজের পর মালিবাগ রেলগেটের কাছে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এরপর সন্ধ্যায় মহাখালী ফ্লাইওভার থেকে রাস্তায় ককটেল ফেলা হয় এবং আগারগাঁওয়ের বেতার ভবনের সামনেও বিস্ফোরণ ঘটে। রাতের দিকে যাত্রাবাড়ী থানার সামনে একাধিক ককটেল ফাটানো হয়।
আরও দেখুনঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থান পেল না! ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে কেন জিন্নাহর ছবি?
সেখানে এক রিকশাচালক আহত হন এবং তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। (Dhaka)মগবাজার চৌরাস্তা, বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এবং রামপুরায়ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।কাফরুল থানার সামনে পার্ক করা একটি বাসে রাত সাড়ে নয়টার দিকে আগুন লাগে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বাসটি কয়েকদিন আগে দুর্ঘটনার পর বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল এবং থানার সামনে রাখা ছিল। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে দুইশোর বেশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে শতাধিক মানুষকে গ্রেফতার (Dhaka)করা হয়েছে এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই বিস্ফোরণগুলোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কিনা তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।এই ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাতের বেলা রাস্তায় চলাচল কমে গেছে। ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঢাকায় এমন ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনা নতুন নয়। কয়েকদিন আগেও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অনুরূপ ঘটনা ঘটেছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
