ঢাকা: চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ঘটল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা (Type-59 tank)। ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণ চলাকালে আকস্মিক দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এক কর্মকর্তা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
Bangladesh Army’s Chinese-origin 🇨🇳 Type 59 tank reportedly exploded during a firing exercise in Hathazari, Chattogram.
Two tank crew members were killed, while an officer was injured and taken to Chittagong CMH for treatment.
Made in China. Used by Bangladesh. A deadly…
— Megh Updates 🚨™ (@MeghUpdates) September 9, 2026
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।(Type-59 tank)বুধবার সকালে হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলন চলছিল। ট্যাংক থেকে গোলা ছোড়ার সময়ই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত দুই সৈনিকের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। আহত কর্মকর্তার চিকিৎসা চলছে। সেনাবাহিনী দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।
আরও দেখুনঃ হলি আর্টিজান হামলার নেপথ্যে সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলার যোগসূত্র ফাঁস
সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে দুর্ঘটনায় জড়িত ট্যাংকটি চিনা তৈরি টাইপ-৫৯ সিরিজের। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ট্যাংক ব্যবহার করে আসছে। পরে অনেকগুলোকে আধুনিকায়ন করে ‘দুর্জয়’ নামেও ব্যবহার করা হয়। তবে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে ট্যাংকের নির্দিষ্ট মডেল বা বিস্ফোরণের বিস্তারিত উল্লেখ নেই। শুধু বলা হয়েছে, গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনা সেনাবাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণের ঝুঁকির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। (Type-59 tank)যুদ্ধক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের জন্য অনুশীলন অপরিহার্য। কিন্তু অনুশীলনেও এমন দুর্ঘটনা ঘটলে তা সবাইকে নাড়া দেয়। নিহত সৈনিকরা দেশের সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করেছিলেন। তাদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সেনাবাহিনী ও জাতি শোকাহত।তদন্তে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসা জরুরি।
যান্ত্রিক ত্রুটি, গোলাবারুদের সমস্যা, নাকি অন্য কোনো কারণ সেটা স্পষ্ট হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। সেনাবাহিনী ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে। আহত কর্মকর্তার সুস্থতা কামনা করছেন সবাই।বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। প্রশিক্ষণের সময় এমন দুর্ঘটনা তাদের মনোবল ভাঙতে পারে না।
বরং এ থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও সতর্কতা বাড়ানো হবে বলে আশা করা যায়। (Type-59 tank)নিহতদের পরিবারকে সরকারি সহায়তা ও সম্মাননা দেওয়া হবে। তাদের ত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না।হাটহাজারীর এই ঘটনা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়। এটি সেনাদের দৈনন্দিন ঝুঁকির বাস্তব চিত্র। শান্তিকালীন সময়েও তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাতে প্রয়োজনে দেশ রক্ষা করতে পারেন। দুই সৈনিকের মৃত্যুতে সেনা পরিবারে শোক নেমে এসেছে। পুরো দেশ তাদের প্রতি সহানুভূতি জানাচ্ছে।
