কিয়েভ: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে ফের এক মর্মান্তিক মৃত্যুমিছিল দেখল কিয়েভ। ইউক্রেনের রাজধানীর অদূরে একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলার জেরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন (CNN)-এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিপুল বিস্ফোরণের জেরে ওই গুদামের আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একইসঙ্গে, জনবসতিপূর্ণ এলাকার এত কাছে কেন গোলাবারুদ মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেই বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
মৃত্যুমিছিল আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা
কিয়েভ অঞ্চলের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো এই ভয়াবহ প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনও পর্যন্ত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর আমরা নিশ্চিত করতে পেরেছি। তবে এই পরিসংখ্যানই চূড়ান্ত নয়।” নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। ড্রোন হামলার পরপরই যে তীব্র মাত্রার বিস্ফোরণটি ঘটে, তাতেই মূল প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
তদন্তের নির্দেশ ক্ষুব্ধ জ়েলেনস্কির
গোটা ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কি। গুদামটিতে ঠিক কী মজুত ছিল বা সেটি ঠিক কোথায় অবস্থিত, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। জ়েলেনস্কি বলেন, “বসতবাড়ি বা লোকালয়ের কাছাকাছি কোনওভাবেই গোলাবারুদ বা বিস্ফোরক মজুত রাখা যায় না।” এই ধরনের চূড়ান্ত গাফিলতি কীভাবে ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রাশিয়ার দাবি
ইউক্রেন যখন এই ঘটনা নিয়ে নিজেদের অভ্যন্তরীণ তদন্তে নেমেছে, তখন রাশিয়ার তরফে এই হামলার দায় স্বীকার করা হয়েছে। মস্কোর দাবি, সাধারণ মানুষ নয়, বরং তাদের মূল লক্ষ্য ছিল একটি অস্ত্রাগার। রুশ সেনার দাবি অনুযায়ী, ওই গুদামে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম এবং অন্যান্য অস্ত্র মজুত ছিল বলেই সেখানে সুনির্দিষ্টভাবে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
