ফের সামরিক আস্ফালন? ওয়াহ-র অস্ত্র কারখানায় পাক সেনাপ্রধান

ইসলামাবাদ: ভারতের বিরুদ্ধে লাগাতার সামরিক ও পরমাণু হামলার হুমকির মাঝেই পাকিস্তানের প্রধান অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করলেন পাক সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ওয়াহ-তে অবস্থিত পাকিস্তান…

ইসলামাবাদ: ভারতের বিরুদ্ধে লাগাতার সামরিক ও পরমাণু হামলার হুমকির মাঝেই পাকিস্তানের প্রধান অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন করলেন পাক সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। ওয়াহ-তে অবস্থিত পাকিস্তান অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরিজ (POF)-এ গিয়ে দেশের অস্ত্র উৎপাদন, উন্নয়ন এবং সামরিক সরঞ্জাম রফতানির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন তিনি। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ভারতের বিরুদ্ধে মুনিরের ধারাবাহিক আগ্রাসী মেজাজের মধ্যেই তাঁর এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisements

অস্ত্র কারখানায় মুনির

জানা গিয়েছে, কারখানায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরীক্ষা স্বচক্ষে দেখেন পাক সেনাপ্রধান। বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে কীভাবে দেশে উৎপাদন বাড়ানো যায়, তা নিয়ে তাঁকে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়া হয়। ডিপরা (DIPRA) অর্ডিন্যান্সের অধীনে সামরিক শিল্পের আধুনিকীকরণ এবং চলতি বছরের শেষে চালু হতে চলা দু’টি নতুন অস্ত্র কারখানা নিয়েও আলোচনা করেন মুনির।

   

ভারতের বিরুদ্ধে লাগাতার হুমকি

সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮ (CNN-News18)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, আসিম মুনির পাকিস্তান এবং বিদেশের মাটিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে ভারতকে সামরিক হুমকি দিয়ে চলেছেন। আমেরিকায় প্রবাসী পাকিস্তানিদের এক অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন। এমনকি, ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো এবং জলপথে হামলার কথাও শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে।

কী বার্তা দিতে চাইছে পাকিস্তান?

গোয়েন্দা ও বিশেষজ্ঞদের মতে, মুনিরের এই ভারত-বিরোধী বয়ান একটি বৃহত্তর ছকের অংশ। লাগাতার এই হুমকির মাঝে তাঁর অস্ত্র কারখানা পরিদর্শন আদতে সামরিক প্রস্তুতিরই এক প্রচ্ছন্ন বার্তা। পাশাপাশি, চরম আর্থিক ও রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে থাকা দেশের আমজনতাকে নিজেদের সামরিক ক্ষমতা এবং দেশীয় অস্ত্র উৎপাদনের অগ্রগতি সম্পর্কে আশ্বস্ত করাও পাক সেনাপ্রধানের এই সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

Advertisements

বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Advertisements