কোলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। (industrial land)এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। মন্ত্রিসভা ৩৩টি শিল্প ইউনিটকে লিজভিত্তিক জমি বরাদ্দের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এই ইউনিটগুলো রাজ্যের ১২টি শিল্প পার্কে অবস্থিত হবে এবং পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন নিগম (WBIDCL) ও পশ্চিমবঙ্গ শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়ন নিগম (WBIDCL) এর অধীনে পরিচালিত হবে।
এই প্রকল্পগুলো থেকে মোট ৬৮ হাজার ৫৮৪টি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। (industrial land )ডব্লিউবিআইডিসিএল-এর অধীনে থাকা জমির পরিমাণ ৪৬৩ দশমিক ১ একর এবং ৬ হাজার ৩৯৭ দশমিক ২ বর্গফুট। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের প্রতিবন্ধকতা দূর করা। রাজ্য সরকার জোরপূর্বক অধিগ্রহণের পরিবর্তে আলোচনার মাধ্যমে জমি কেনার মডেলকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যাতে স্থানীয় মানুষের স্বার্থও রক্ষা পায় এবং শিল্প স্থাপনে গতি আসে।
আরও দেখুনঃ যাদবপুরে ধুন্ধুমার! বোতল-পাথর বৃষ্টি, পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ক্যাম্পাসে ঢোকার চেষ্টা ABVP-SFI-এর
এই সিদ্ধান্ত শুধু সংখ্যার হিসাব নয়। এটি হাজার হাজার পরিবারের জীবনযাত্রার সঙ্গে জড়িত। পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শিল্পের জন্য উপযুক্ত জমি পাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। (industrial land)অনেক প্রকল্প জমি নিয়ে জটিলতায় আটকে থাকত। এবার মন্ত্রিসভার এই অনুমোদন সেই জটিলতা কাটানোর পথে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। লিজভিত্তিক বরাদ্দের ফলে শিল্পপতিরা দ্রুত কারখানা স্থাপন করতে পারবেন এবং স্থানীয় যুবক-যুবতীরা নতুন চাকরির সুযোগ পাবেন।
৬৮ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের (industrial land)কথা শুনলে মনে হয়, এটি রাজ্যের অর্থনীতিতে একটা বড় ধাক্কা দিতে পারে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় বেকারত্বের হার বেশি, সেখানে এই প্রকল্পগুলো স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসবে।মন্ত্রিসভা শুধু শিল্পের জমি নিয়েই থেমে থাকেনি। আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জমি সংক্রান্ত সিদ্ধান্তও অনুমোদন করা হয়েছে। সুন্দরবন এলাকায় ১ হাজার ৫৯২ দশমিক ৮ ডেসিমেল জমি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মূল্য ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।
আরও দেখুনঃ ব্যারাকপুর সেনানিবাস এলাকার উন্নয়নে ক্যান্টনমেন্ট কর্মকর্তা অনুজ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠকে অর্জুন সিং
হাওড়ায় ১৩ ডেসিমেল জমি কেনা হবে ৬৭ লাখ ২০ হাজার টাকায়। ঘাটাল পাম্প হাউসের জন্য ৩ দশমিক ৫৮ একর জমি কেনা হবে ২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকায়। এছাড়া সানকোস চা বাগানে ১১৮ দশমিক ৪ একর এবং চামুরচিতে দশমিক ৭ একর জমি পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত হয়েছে। মালদায় বিএসএফ-এর সীমান্ত পরিকাঠামোর জন্য ১৩ দশমিক ৯ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে।
চা পর্যটনের ক্ষেত্রে ব্যবহারের সীমা ১৫ শতাংশে বেঁধে দেওয়া হয়েছে, ( industrial land )যাতে চা বাগানের মূল চরিত্র ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।এইসব সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের চিন্তা। সুন্দরবনের জমি ক্রয় সম্ভবত পরিবেশ বা পরিকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত।
আরও দেখুনঃ মিশন মোডে শিক্ষামন্ত্রী! প্রহ্লাদের হস্তক্ষেপে NTA থেকে সরানো হল ৬০০ পরীক্ষককে
ঘাটালের পাম্প হাউস বন্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে, যা ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত এলাকায় বিএসএফ-এর জন্য জমি বরাদ্দ জাতীয় নিরাপত্তার দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। চা বাগানের জমি পুনরুদ্ধার ও পর্যটনের সীমা নির্ধারণ ইঙ্গিত দেয় যে রাজ্য চা শিল্প ও পর্যটনকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তবে ভারসাম্য রক্ষা করে।
