কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার রাজ্যের প্রশাসনিক সদর (West Bengal)দফতর নতুন করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে নিউ টাউনে একটি আধুনিক প্রশাসনিক কমপ্লেক্স গড়ে তোলার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এই নতুন সচিবালয়ে রাজ্যের সবকটি ৫৪টি দফতর এক ছাদের নিচে আনার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই কমপ্লেক্স গড়ে তোলার (West Bengal)পরিকল্পনা এখন পর্যালোচনাধীন।সরকারি সূত্র অনুযায়ী, নজরুল তীর্থ মেট্রো স্টেশনের কাছে প্রায় ১৭.২৮ একর জমি এই প্রকল্পের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এই জমির একটি অংশে আগের সরকার দুর্গাঙ্গন প্রকল্পের প্রস্তাব করেছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও এক বা দুটি বিকল্প স্থানও খতিয়ে দেখা হতে পারে।
আরও দেখুনঃ কিশোরী অবস্থায় গর্ভধারণে শীর্ষে বাংলা! সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে উদ্বেগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
নিউ টাউনের এই এলাকা ইতিমধ্যেই প্রাতিষ্ঠানিক ও পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে। (West Bengal)মেট্রো সংযোগ এবং আধুনিক অবকাঠামোর কারণে এটি প্রশাসনিক সদর দফতরের জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ভূগোলে বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন ধরে কলকাতার কেন্দ্রস্থলে থাকা প্রশাসনিক কার্যক্রম শহরের উপকণ্ঠে নিউ টাউনের দিকে সরে যাবে।
এর ফলে সরকারি কাজকর্ম আরও সংহত ও দক্ষ হয়ে উঠতে (West Bengal)পারে বলে আশা করা হচ্ছে। সব দপ্তর এক জায়গায় থাকলে সমন্বয় বাড়বে এবং নাগরিকদেরও সুবিধা হবে। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু হলে ফাইল আনা-নেওয়া কমে যাবে এবং ডিজিটাল প্রশাসনের দিকে এগোনো সম্ভব হবে।তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্থান নির্বাচন এবং সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে।
আরও দেখুনঃ বাংলার রেল পরিকাঠামো আধুনিকীকরণ এবার দোরগোড়ায়! অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় কল্যাণী স্টেশন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের বড় প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ, পরিবেশগত অনুমোদন, অর্থসংস্থান এবং নির্মাণের সময়সীমা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। নিউ টাউনের অবকাঠামো ইতিমধ্যেই উন্নত হলেও এত বড় প্রশাসনিক কমপ্লেক্স গড়ে তুলতে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা লাগবে।রাইটার্স বিল্ডিংয়ের ঐতিহ্য এবং নবান্নের বর্তমান অবস্থান নিয়েও আলোচনা চলছে।
অনেকে মনে করছেন, ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলোকে (West Bengal )সংরক্ষণ করে আধুনিক প্রশাসনিক কেন্দ্র আলাদাভাবে গড়ে তোলা যেতে পারে। আবার কেউ কেউ বলছেন, সব দপ্তর এক জায়গায় আনা হলে প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়বে এবং নাগরিকসেবা উন্নত হবে। নিউ টাউনের দিকে সরকারি কার্যক্রম সরে গেলে সেখানকার অর্থনৈতিক ও নাগরিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হতে পারে।
