সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: ফের কলকাতা লিগে (Calcutta Football League) অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ করল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। সূচি অনুযায়ী এদিন বিকেলে নিজেদের ক্লাব গ্ৰাউন্ডে ষষ্ঠ ম্যাচে নেমেছিল মশাল ব্রিগেড। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল রঞ্জন চৌধুরীর ভবানীপুর ফুটবল দল। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ১-১ গোলে শেষ হল এই ম্যাচ। এদিন ভবানীপুর দলকে গোল করে এগিয়ে দিয়েছিলেন শ্যামল বেসড়া অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গলের হয়ে সমতাসূচক গোলটি করেন অনন্থু এন এস। যারফলে আপাতত ৭ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্ৰুপ টেবিলের শীর্ষে থাকল রঞ্জন চৌধুরীর ছেলেরা।
অন্যদিকে, এক ম্যাচ কম খেলে দ্বিতীয় স্থানে থাকল মশাল ব্রিগেড। যেটা খুব একটা খুশি করেনি লাল-হলুদ সমর্থকদের। বলাবাহুল্য, এদিন প্রথমার্ধ জুড়ে দুই দল বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। যারফলে গোলশূন্য ফলাফলে শেষ হয়েছিল প্রথমার্ধের খেলা। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার কিছু সময়ের মধ্যেই গোল তুলে নেয় ভবানীপুর। ৪৬ মিনিটের মাথায় আচমকাই আক্রমণে উঠে আসে প্রতিপক্ষ দল। তারপর সুযোগ বুঝেই দুরন্ত শট নিয়েছিলেন সাহিল হরিজন। কিন্তু সেটি কোনও রকমে আটকে দেওয়া সম্ভব হলেও ফিরতি বল চিপ করে গোলে ঠেলে দিতে ভুল করেননি শ্যামল।
যদিও গোল হজম করার কিছু সময়ের মধ্যেই ম্যাচে ফিরে আসে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল। ৫১ মিনিটের মাথায় দুরন্ত শটে বল জালে জড়িয়ে দেন অনন্থু। তারপর ম্যাচের বয়স যত বাড়ে আক্রমণের তেজ তত বাড়াতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। অপরদিকে সুযোগ বুঝেই পাল্টা আক্রমণে করতে থাকে ভবানীপুর ফুটবল দল। তারপর নিজের দ্বিতীয় গোলের সুযোগ এসে গিয়েছিল অনন্থুর কাছে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকেনি। গোলরক্ষক আদিত্য পাত্র পরাজিত হলেও ক্রস বারে লেগে ফিরে আসে সেই বল। সুযোগ বুঝেই সেটিকে বিপদ মুক্ত করেন দলের ডিফেন্ডাররা।
নির্ধারিত নব্বই মিনিটের পর অতিরিক্ত চার মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়েছিল ম্যাচ রেফারির তরফে। সেই সময় ও বেশ কয়েকটি সহজ সুযোগ তৈরি করেছিলেন দুই দলের ফুটবলাররা। কিন্তু বদলায়নি স্কোর লাইন।
