কলকাতা: কলকাতার শিল্প ও লজিস্টিক্স খাতে বড় ধরনের সাফল্য নজরে এসেছে। ( logistics leasing )সিবিআরই-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে শহরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও লজিস্টিক্স মার্কেটে ১৮ লক্ষ বর্গফুট জায়গা লিজ নেওয়া হয়েছে। এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬৯ শতাংশ বেশি। এই বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এফএমসিজি খাত।
এই সেগমেন্টে চাহিদা চার গুণ বেড়ে ৪ লাখ ৭১ হাজার বর্গফুটে পৌঁছেছে। এর মধ্যে খাদ্য ও পানীয় কোম্পানিগুলোই ৭০ শতাংশ জায়গা নিয়েছে।কলকাতা এখন পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ওয়্যারহাউজিং ও ডিস্ট্রিবিউশন হাব হয়ে উঠছে। রাস্তাঘাটের উন্নতি, মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটি এবং শিল্পনীতিতে সহায়ক পরিবেশ এই চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করেছে। তৃতীয় পক্ষের লজিস্টিক্স কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরেই এখানে বড় অংশ দখল করে আছে।
আরও দেখুনঃ মমতাকে কাঁদা ছুড়েছে তৃণমূলের লোকই! সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি ফাঁস করে দাবি অর্জুনের
তবে এবার এফএমসিজি, ( logistics leasing )বিশেষ করে ফুড অ্যান্ড বেভারেজ খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনলাইন ও অফলাইন খুচরা ব্যবসার বৃদ্ধি, প্যাকেজড খাবার ও পানীয়ের চাহিদা বাড়ায় কোম্পানিগুলো বড় সাইজের ওয়্যারহাউজ খুঁজছে।তবে এই চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাপ্লাই বাড়ানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। কলকাতার গ্রেড-এ স্টকের প্রায় ৯৪ শতাংশই এনএইচ-৬ ও এনএইচ-২ করিডোর বরাবর কেন্দ্রীভূত।
নতুন বড় ফরম্যাটের ওয়্যারহাউজ তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণের গতি যদি ধীর থাকে, তাহলে চাহিদা থাকলেও জায়গার অভাব দেখা দিতে পারে। সিবিআরই জানিয়েছে, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের মধ্যে আরও প্রায় ৩০ লাখ বর্গফুট গ্রেড-এ স্পেস যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর বেশিরভাগই প্রাতিষ্ঠানিক ডেভেলপাররা তৈরি করবে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন চাহিদা আছে কি নেই সেই প্রশ্ন আর মুখ্য নয়।
আরও দেখুনঃ বিমানের ককপিটে লেজার রশ্মি, কলকাতায় নামার আগে চক্কর মারে মালয়েশিয়া বিমান
আসল বিষয় হল জমি, কানেক্টিভিটি এবং বড় সাইজের সুবিধা দ্রুত বাড়ানো যায় কি না। যদি পর্যাপ্ত ল্যান্ড ব্যাংক ও পরিকাঠামো তৈরি না হয়, তাহলে কলকাতার এই গতি থেমে যেতে পারে। অন্যদিকে, সঠিক পরিকল্পনা ও দ্রুত জমি অধিগ্রহণ হলে শহরটি পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের লজিস্টিক্স হাব হিসেবে আরও মজবুত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
