চন্দ্রিমার পদত্যাগ নিয়ে বিস্ফোরক সন্দীপন

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও অস্থিরতা যেন থামছেই না (chandrima)। কলকাতার বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আনুগত্য জানিয়ে দলের সব পদ থেকে পদত্যাগ…

chandrima-bhattacharya-resignation-sandipan-saha

কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও অস্থিরতা যেন থামছেই না (chandrima)। কলকাতার বিধায়ক চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আনুগত্য জানিয়ে দলের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই ঘটনায় বিতর্কিত ও বহিষ্কৃত তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা স্বাগত জানিয়েছেন চন্দ্রিমার সিদ্ধান্তকে। তিনি বলেছেন, “আমি তার পদত্যাগকে স্বাগত জানাই। এটি অনিবার্য ছিল।”

Advertisements

   

সন্দীপন সাহা আরও জানান, গত ২২ জুন তাদের একটি বৈঠক হয়েছিল। সেখানে জাতীয় কর্মসমিতির চেয়ারপার্সন এবং অন্যান্য কমিটির সদস্যদের ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তারপরও যাঁরা বিভিন্ন পদে আসীন হচ্ছেন, তাঁরা একের পর এক পদত্যাগ করছেন। কারণ কালীঘাট তৃণমূলে কাজ করার মতো কোনো পরিবেশ আর অবশিষ্ট নেই। তাঁর এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি করেছে।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের একজন পরিচিত মুখ।

আরও দেখুনঃ ১৯৯৩ র ২১ জুলাইয়ের হত্যার তদন্ত চেয়ে শুভেন্দুকে চিঠি কাকলির

Advertisements

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তিনি। তাঁর এই পদত্যাগকে অনেকেই দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে দেখছেন। সন্দীপন সাহা নিজেও আগে বহিষ্কৃত হয়েছেন। তিনি খোলাখুলি বলছেন যে কালীঘাটের তৃণমূল অফিসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া একপেশে হয়ে গেছে। যাঁরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চান বা দলের ভালো চান, তাঁদের জন্য সেখানে জায়গা নেই।

আরও দেখুনঃ খামেনির মৃত্যুতে আরও ভাল করে শোক প্রকাশ করা উচিত! মোদীকে শিষ্টাচার শেখালেন শশী

রাজ্যের একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, “তৃণমূলের অভ্যন্তরে এই ধরনের পদত্যাগ একটি বড় সংকেত। দলের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক নেতা-নেত্রী মনে করছেন যে তাঁদের মতামতের মূল্যায়ন হচ্ছে না। চন্দ্রিমার মতো একজন প্রবীণ ও বিশ্বস্ত নেত্রীর পদত্যাগ সেই অসন্তোষের প্রতিফলন।”

আরও দেখুনঃ আশ্রয় থেকে অন্নসংস্থান! সেদিন তাড়া খাওয়া হিন্দুদের ত্রাতা ছিলেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী

সাধারণ তৃণমূল কর্মীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। উত্তর কলকাতার এক কর্মী অনামিকা দাস বলেন, “দিদি যেভাবে দল চালান, তাতে অনেকেই খুশি। কিন্তু যদি কোনো নেতা মনে করেন তাঁর কাজ করার জায়গা নেই, তাহলে তো সমস্যা। দলকে এখন এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। না হলে কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়বেন।” অন্যদিকে, কিছু নেতা চন্দ্রিমার সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত বলে উড়িয়ে দিতে চাইছেন।

Advertisements