২১ জুলাই সভার মঞ্চ কার হাতে যাবে? দরবার করছে দু’পক্ষই

২১ জুলাইয়ের (21 july) শহিদ দিবসকে ঘিরে এবার তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। কালীঘাটের নিয়ন্ত্রণে থাকা তৃণমূল শিবির বনাম বিদ্রোহী গোষ্ঠী দুই পক্ষই নিজেদেরই…

Stage Fight Over 21 July Event as Rival Camps Seek Approval

২১ জুলাইয়ের (21 july) শহিদ দিবসকে ঘিরে এবার তৃণমূলের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। কালীঘাটের নিয়ন্ত্রণে থাকা তৃণমূল শিবির বনাম বিদ্রোহী গোষ্ঠী দুই পক্ষই নিজেদেরই আসল ‘জোড়াফুল’ বলে দাবি করে একযোগে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা আসলে কার হাতে থাকবে তৃণমূলের প্রতীকী ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ?

Advertisements

এই টানাপোড়েনের(21 july) মধ্যেই ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ঐতিহ্যবাহী ২১ জুলাইয়ের সভা নিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। গত তিন দশকের রীতি মেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবির ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই শহিদ দিবস পালনের অনুমতি চেয়ে কলকাতা পুলিশের লালবাজারে আনুষ্ঠানিক চিঠি জমা দিয়েছে। তাঁদের দাবি, এই স্থান ও এই দিনটি তৃণমূলের রাজনৈতিক আবেগের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, এবং সেই ঐতিহ্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

   

অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল (21 july) শিবিরও পাল্টা পদক্ষেপ নিয়ে একই স্থানে সভার অনুমতি চেয়ে পুলিশকে চিঠি দিয়েছে। শনিবার বৈঠক করে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেয় যে ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনেই পৃথকভাবে ২১ জুলাই পালন করা হবে। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, আসল জোড়াফুল তাঁদের সঙ্গেই রয়েছে এবং তারাই প্রকৃত তৃণমূলের প্রতিনিধিত্ব করছে।

কলকাতা পুলিশের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একই দিনে একই স্থানে একাধিক রাজনৈতিক সভার আবেদন জমা পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনের উপর চাপ বেড়েছে।

Advertisements

পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে কারণ বিষয়টি ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে রাজনৈতিক সভা করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই প্রশ্নে আগেও একাধিক আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফলে এই বছরের ২১ জুলাই ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই স্তরেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের পক্ষ থেকে আখরুজ্জামান বলেন, “আমরাই তৃণমূল। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সঠিকভাবে ২১ জুলাই পালন করা হবে। এতদিন ওই মঞ্চে শুধু আনুষ্ঠানিকতা দেখা গিয়েছে, এবার আমরা প্রকৃত শহিদ দিবস পালন করব।” তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও বেড়েছে।

Advertisements