FIFA World Cup: হাইতিকে হারিয়ে গ্ৰুপ শীর্ষে উঠে এল ব্রাজিল

মরোক্কোর বিরুদ্ধে ড্রয়ের হতাশা কাটিয়ে দুরন্ত জয় ব্রাজিলের। হাইতির বিরুদ্ধে ৩-০ ব্যবধানে জিতে গ্রুপের শীর্ষে উঠল সেলেসাওরা।

brazil-beat-haiti-3-0

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা ডেক্স: অবশেষে এসে জয়ের দেখা পেল সেলেসাওরা। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ ভারতীয় সময় সকাল ছটায় বিশ্বকাপের (FIFA World Cup) দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিল ব্রাজিল ফুটবল দল। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল হাইতি। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ৩-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। গত মরোক্কো ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে এবার যেন ধীরে ধীরে নিজেদের চেনা ছন্দে ধরা দিতে শুরু করেছে ব্রাজিল। এদিন দলের হয়ে জোড়া গোল করেন মাতেউস কুনহা। একটি গোল করে যান ভিনিসিউস জুনিয়র। পাশাপাশি গোলের একাধিক সুযোগ এসে গিয়েছিল রাফিনিয়ার কাছে।

Advertisements

যদিও অফসাইডের ফাঁদে তাঁকে আটকে যেতে হয়েছিল বারংবার। ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারের মধ্যেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি কিন্তু অফসাইডের ফাঁদে বাতিল হয়ে যায় সেটি। তারপর প্রায় বাইশ মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় সুযোগ এসে গিয়েছিল তাঁর কাছে যদিও ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারেননি সেই সুযোগ। যদি তারপর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ২৩ মিনিটের মাথায় আক্রমণে উঠে এসে গোল তুলে নেয় সেলেসাওরা। ভিনিসিউস জুনিয়রের অ্যাসিস্ট থেকে কুনহার আলতো ছোঁয়ায় বল চলে গিয়েছিল গোলের মধ্যে। কিছুই করতে পারেননি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার। যারফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় কার্লো আনচেলত্তির ছেলেরা।

   

মিনিট তেরোর ব্যবধানে ফের গোল। এবার ও গোল পান সেই কুনহা। যারফলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। এসবের মাঝেই চোট সমস্যা দেখা দেওয়ায় ৪০ মিনিটের মাথায় মাঠ থেকে বেড়িয়ে যান রাফিনিয়া। যা নিঃসন্দেহে চিন্তার রাখবে সকলকে। আদৌও তিনি পরবর্তী ম্যাচ গুলিতে খেলতে পারবেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়। প্রথমার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিটের পর অতিরিক্ত ছয় মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়েছিল ম্যাচ রেফারির তরফে। সেখানেই ৪৮ মিনিটের মাথায় লুকাস পাকেতার দুর্দান্ত থ্রু ধরে হাইতির রক্ষণভাগে ঢুকে পড়েছিলেন ভিনিসিউস জুনিয়র। সেখান থেকেই আসে তৃতীয় গোল।

যারফলে প্রথমার্ধের শেষে বজায় ছিল তিন গোলের ব্যবধান। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে আক্রমণের গতি বাড়িয়ে ছিল হাইতির ফুটবলাররা। যদিও আটকে যেতে হয়েছিল ব্রাজিল রক্ষণে। তারপর ৬৪ মিনিটের মাথায় তরুণ ফুটবলার এন্ড্রিককে মাঠে আনেন আনচেলত্তি। ৭৭ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ শানিয়ে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে এসে দুরপাল্লার শট নিয়েছিলেন ডগলাস সান্তোস। যদিও গোলে রাখা সম্ভব হয়নি। তারপর এন্ড্রিক প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল গোলে ঠেলে দিলে ও অফসাইডের দরুন ফের বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিট সময় সংযুক্ত করা হয়েছিল ম্যাচ রেফারির তরফে। যদিও আর বদলায়নি ফলাফল।

Advertisements
Advertisements