‘ইরানি প্রতিনিধিদের মৃত্যুফাঁদ তৈরী করছে পাকিস্তান!’ সতর্ক বার্তা চিনের

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে একাধিক গোয়েন্দা সতর্কবার্তাকে ঘিরে। (China MSS warning)ইরানের প্রতিনিধিদের মৃত্যুফাঁদ তৈরী করছে পাকিস্তান এমনটাই সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চিন। এই দাবি…

china-mss-warning-iran-assassination-plot-pakistan-peace-talks

আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে একাধিক গোয়েন্দা সতর্কবার্তাকে ঘিরে। (China MSS warning)ইরানের প্রতিনিধিদের মৃত্যুফাঁদ তৈরী করছে পাকিস্তান এমনটাই সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চিন। এই দাবি ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনের গোয়েন্দা সংস্থা মিনিস্ট্রি অফ স্টেট্ সিক্যুরিটি (এমএসএস) ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সতর্ক করেছে যে পাকিস্তানে প্রস্তাবিত শান্তি আলোচনার সময় তাঁদের ওপর হামলার চেষ্টা হতে পারে।

Advertisements

এর আগেই একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিল রাশিয়ার এফএসবি। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, পাকিস্তানে সম্ভাব্য বৈঠক বা আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ছক থাকতে পারে। এমনকি কিছু স্থানীয় সহযোগিতার মাধ্যমেও এই হামলার পরিকল্পনা এগোতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ লরিয়াসে পুরস্কার হাতছাড়া হরমনপ্রীতদের, টিম অফ দ্য ইয়ার পিএসজি

যদিও এই দাবিগুলির কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবুও বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। ফলে এই ধরনের সতর্কবার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ইরানের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে কূটনৈতিক মহলের ধারণা, এমন সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার মতো নয়। বিশেষ করে যখন একাধিক দেশের গোয়েন্দা সংস্থা একই ধরনের আশঙ্কার কথা বলছে, তখন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হতে পারে।

Advertisements

অন্যদিকে, পাকিস্তানের তরফেও এই অভিযোগ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য সামনে আসেনি। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি এই ধরনের পরিকল্পনার অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে তা শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই সতর্কবার্তাগুলি কেবল নিরাপত্তা সংক্রান্ত নয়, বরং এর পেছনে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক কৌশলও থাকতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা তথ্য অনেক সময় চাপ সৃষ্টি বা অবস্থান স্পষ্ট করার হাতিয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। তাই এই তথ্যগুলিকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়াও, “শান্তি আলোচনা”কে ঘিরে এই ধরনের আশঙ্কা সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে, ভবিষ্যতে এই বৈঠক আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কি না, বা হলেও তার নিরাপত্তা কতটা নিশ্চিত করা যাবে। কারণ কোনও দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সেই বৈঠক বড়সড় কূটনৈতিক সংকটে পরিণত হতে পারে।

Advertisements