যুদ্ধের আতঙ্কে দেশ ছাড়লেন ইরানের ৭ মহিলা ফুটবলার, আশ্রয় দিল অস্ট্রেলিয়া

সোহিনী পোড়েল, কলকাতা: যুদ্ধের দাবানলে (Middle East War) পুড়ছে ইরান, ইজরায়েল, আমেরিকা। একে অন্যকে একের পর এক মিসাইল, ড্রোন হামলা চালাতে ব্যস্ত। বারুদের গন্ধে দম…

iran-women-football-seek-asylum-australia-amid-war

সোহিনী পোড়েল, কলকাতা: যুদ্ধের দাবানলে (Middle East War) পুড়ছে ইরান, ইজরায়েল, আমেরিকা। একে অন্যকে একের পর এক মিসাইল, ড্রোন হামলা চালাতে ব্যস্ত। বারুদের গন্ধে দম বন্ধকর পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় এশিয়ান কাপ খেলতে গিয়েছিল ইরানের মহিলা দল। এই আবহে প্রাণভয়ে অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছেন ইরানের ৭ মহিলা ফুটবলার। তাঁদের আশ্রয় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

Advertisements

এশিয়ান কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ইরানের মহিলা ফুটবল দল। ৩-০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছে ইরান। কিন্তু এই ম্যাচ শুরুর আগের এক মুহূর্ত নিয়ে বিশ্বজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে। জাতীয় সঙ্গীত ‘বয়কট’ করেছেন ইরানের মহিলা ফুটবলাররা। গ্যালারিতে জ্বলজ্বল করছে ইরানের পুরনো পতাকা। ম্যাচ শুরুর আগে জাতীয় সঙ্গীতের সময় নীরব ছিলেন ইরানের মহিলা ফুটবলাররা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, জাতীয় সঙ্গীতের সময় ইরানের মহিলা ফুটবলারদের মুখ পুরো নির্বিকার। সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে শুরু মুচকি হাসলেন ইরানের কোচ মারজিয়েহ জাফারি।

   

১৯৯০ সালে খামেনেইয়ের আমলে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে যা গ্রহণ করা হয়েছিল ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরানে। বলে রাখা ভালো, দেশ ছাড়ার আগে আদেশ দেওয়া হয়েছিল জাতীয় সঙ্গীত গাইতেই হবে তাঁদের। সেখানে জাতীয় সঙ্গীত না গেয়ে এক তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ নিলেন তাঁরা। এমনকি ম্যাচ চলাকালীন স্টেডিয়ামে ‘সিংহ-সূর্যের’ ৪৭ বছর পুরনো পতাকা দেখা গিয়েছে।

ইরানের ৭ মহিলা ফুটবলারকে আশ্রয় দেওয়ার প্রসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন, “ইরানের মহিলা ফুটবলারদের সাহস এবং সংকল্প আমাদের মুগ্ধ করেছে। তাই আমরা তাঁদের সামনে একটা বিকল্পের দরজা খুলে দিয়েছিলাম। তাঁরা যদি অস্ট্রেলিয়ার মানবিক ভিসা নিতে চান, যা ভবিষ্যতে স্থায়ী ভিসা পাওয়ার পথ তৈরি করবে, তাহলে সেটি দ্রুত কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত ছিল।“

Advertisements
Advertisements