আত্মসমর্পণ নিয়ে বিস্ফোরক ইরানের বিদেশমন্ত্রী

তেহরান: ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আজ তেহরানের রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটা শক্তিশালী বার্তা দিলেন (Abbas Araghchi)। কুদস দিবসের বিশাল সমাবেশে তিনি বললেন, “আজ ইরানে কুদস দিবস,…

abbas-araghchi-quds-day-speech-tehran-iran-us-israel-tensions

তেহরান: ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আজ তেহরানের রাস্তায় দাঁড়িয়ে একটা শক্তিশালী বার্তা দিলেন (Abbas Araghchi)। কুদস দিবসের বিশাল সমাবেশে তিনি বললেন, “আজ ইরানে কুদস দিবস, এবং জায়নিস্ট শাসন ও আমেরিকার নির্মম হামলা সত্ত্বেও তেহরানসহ অন্যান্য শহরে লাখ লাখ ইরানি রাস্তায় নেমে এসেছে। এটা তাদের দৃঢ় ইচ্ছা ও সংকল্পের প্রমাণ। শত্রুরা ইরানি জনগণের শক্তিকে স্বীকার করতে বাধ্য হবে।”

Advertisements

এই কথাগুলো বলার সময় চারপাশে হাজার হাজার মানুষের স্লোগান উঠছিল “নিপাত যাক আমেরিকা-ইজরায়েল”। ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে, ছবিতে আলি খামেনেই ও তার ছেলে মোজতাবা খামেনেইয়ের ছবি নিয়ে তারা মিছিল করছিলেন। আকাশে ধোঁয়া, মাটিতে বিস্ফোরণের চিহ্ন কিন্তু মানুষ থামেনি। যুদ্ধের ১৪তম দিনে এই কুদস দিবস ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। ইজরায়েলের সেনাবাহিনী আগেই তেহরানের কিছু এলাকার জন্য ইভ্যাকুয়েশন ওয়ার্নিং দিয়েছিল।

   

আরও দেখুনঃ ভারত বন্ধু হরমুজে সেফ প্যাসেজ নিশ্চিত করে বিবৃতি রাষ্ট্রদূতের

তারপরও লাখো মানুষ রাস্তায় নেমেছে। এনগেলাব স্কোয়ার, ফেরদৌসি স্কোয়ার, হেজাব স্ট্রিট সব জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ উঠেছে। একজন নিহত হয়েছেন বলে খবর। কিন্তু মিছিল থামেনি।আরাঘচি নিজে মিছিলে যোগ দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি, বিচার বিভাগের প্রধান সবাই প্রকাশ্যে এসেছেন। রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেখানো হয়েছে প্রেসিডেন্টকে ভিড়ের মাঝে সেলফি তুলতে।

বৃষ্টির মধ্যেও মানুষ ভিজে গেছে, কিন্তু উৎসাহ কমেনি। আরাঘচি বলেছেন, এই জনসমাগম দেখে বোঝা যায় ইরানি জনগণ তাদের দেশ, ইসলামিক রিপাবলিক, কুদস, ফিলিস্তিন ও জাতীয় নীতির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। শত্রুরা যতই চাপ দেয়, ইরানিরা ততই শক্তিশালী হয়।যুদ্ধ শুরু হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় ইরানের সামরিক ঘাঁটি, নিউক্লিয়ার সাইট, তেল সুবিধা সব লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। হাজার দেড়েক মানুষ মারা গেছে, হাজার হাজার আহত। অর্থনীতি ধসে পড়ছে, তেলের দাম আকাশছোঁয়া। আরাঘচি আনাদোলু এজেন্সিকে বলেছেন, এই হামলার ফলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম আরও বাড়বে। কিন্তু ইরান পিছু হটবে না।

Advertisements
Advertisements