বড় ধাক্কা ইরানে! বিমান হামলায় নিহত CDS মুসাভি

তেহরান: অব্যাহত মার্কিন-ইসরায়েল আক্রমণ। (Abdolrahim Mousavi)এই আক্রমণে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরাহিম মুসাভি মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। তেহরানে চলতে থাকা…

abdolrahim-mousavi-killed-us-airstrike-tehran-iran-military-chief-dead

তেহরান: অব্যাহত মার্কিন-ইসরায়েল আক্রমণ। (Abdolrahim Mousavi)এই আক্রমণে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল আবদোলরাহিম মুসাভি মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। তেহরানে চলতে থাকা এই হামলায় তিনি সহ আরও বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং সরকারি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে। এই ঘটনা ইরানের কাছে আরও একটি বড় ধাক্কা।

Advertisements

গত শনিবার রাতে তেহরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সুপ্রিম ডিফেন্স কাউন্সিলের বৈঠক চলাকালীন এই হামলা চালানো হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলায় মুসাভির পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, রেভল্যুশনারি গার্ডস কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর এবং ডিফেন্স কাউন্সিলের প্রধান আলি শামখানিসহ অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

   

আরও দেখুনঃ ভারতীয় নৌসেনাকে SOS পাঠায় IRIS ডেনা, কী প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত?

ইসরায়েলের সামরিক মুখপাত্ররা দাবি করেছেন, এই অভিযানে ইরানের সামরিক নেতৃত্বের একটি বড় অংশ নষ্ট হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকেও এই হামলাকে ‘নির্ভুল এবং শক্তিশালী’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। মেজর জেনারেল আবদোলরাহিম মুসাভি ইরানের সেনাবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ ও কঠোর সেনাপ্রধান ছিলেন।

মুসাভি ২০১৭ সাল থেকে ইরানের সেনাবাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গত বছর জুন মাসে পূর্ববর্তী চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাগেরির নিহত হওয়ার পর সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নির্দেশে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। তিনি ইরানের সেনাবাহিনী ও রেভল্যুশনারি গার্ডসের মধ্যে সমন্বয় সাধনের দায়িত্বে ছিলেন। তার নেতৃত্বে ইরানের সামরিক শক্তি আরও সংগঠিত এবং আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছিল বলে অনেকে মনে করেন।

Advertisements

তবে মুসাভির নাম বিশ্বব্যাপী বিতর্কিত ছিল। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা এবং বিরোধী গোষ্ঠীর অভিযোগ, তিনি ২০১৯-২০২২ সালের বিভিন্ন বিক্ষোভের সময় প্রতিবাদীদের দমন-পীড়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে হত্যা, গ্রেফতার এবং নির্যাতনের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। বি

শেষ করে ২০২২ সালের মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর যে ব্যাপক আন্দোলন হয়, তাতে সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির নির্মম দমনমূলক অভিযানে তার ভূমিকা ছিল বলে অভিযোগ। অনেকে তাকে ‘প্রতিবাদীদের রক্তের দাগ’ লাগানো একজন সেনাপতি হিসেবে দেখতেন। এ কারণে তার মৃত্যুকে কেউ কেউ ‘ন্যায়বিচারের’ প্রতীক বলেও উল্লেখ করছেন।

Advertisements