রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত কেশপুর, বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ

কেশপুর: রাজ্যে যত এগিয়ে আছে বিধানসভা নির্বাচন, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজনীতি (Political clash)। রাজ্য-রাজনীতির টাইমলাইনে থাকা কেশপুর বরাবরই শাসকের সঙ্গ দেয়। তবে শাসকের বিরোধীতা…

bjp-move-to-form-government-in-manipur

কেশপুর: রাজ্যে যত এগিয়ে আছে বিধানসভা নির্বাচন, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজনীতি (Political clash)। রাজ্য-রাজনীতির টাইমলাইনে থাকা কেশপুর বরাবরই শাসকের সঙ্গ দেয়। তবে শাসকের বিরোধীতা করলে বাক-বিতান্ডা থেকে হাতাহাতি, লাঠা-লাঠি ও রক্ত ক্ষয়ের মত ঘটনা দেখা যায় প্রত্যেক নির্বাচনের পূর্বে। সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে ফের উত্তপ্ত কেশপুর!

Advertisements

ইনডোর বৈঠক সেরে বেরোতেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে! আহত অবস্থায় ৮ জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আসা হলো মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বিজেপি জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের ৭ নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত রামাকাটা এলাকায় একটি আভ্যন্তরীণ বৈঠকের আয়োজন করে বিজেপি নেতৃত্ব।

   

বৈঠক শেষ হওয়ার পর, বিজেপি কর্মীরা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল, ঠিক সেই সময় তাদের ওপর বাস, লাঠি ও রড নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। বেশ কিছু বাইক ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন বিজেপি নেতৃত্ব। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চোট পায় বিজেপি কর্মীরা। তাদের উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই নিয়ে আসা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

কেশপুরের বিজেপি নেত্রী সোনালি ওঝার বলেন, ‘‘আমাদের ইনডোর মিটিং চলাকালীন প্রথমে ওরা এসে ভিডিও করে যায়, তার কিছুক্ষণ পর তারা লাঠি রড নিয়ে এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। আমরা ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে রাস্তায় ঘিরে ধরে বাইক ভাঙচুর করে। কোন রকমে ওখান থেকে আমরা বেরিয়ে আসি। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে কেশপুরে তাদের পায়ের তলার মাটি শেষ হয়ে গিয়েছে তাই বিজেপিকে মেরে ধরে আটকানোর চেষ্টা করছে। কোনদিন বিজেপিকে আটকানো সম্ভব নয় তৃণমূল নেতারা জেনে রাখুন। সম্পূর্ণ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে জানান কেশপুরে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব মহম্মদ রফিক।’’

Advertisements

তিনি জানান, বিজেপির নেতারা জঙ্গলে পিকনিক করছিল নিজেদের মধ্যে অন্তর কলহ হয়েছে। সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তায় মদ খেয়ে মেয়েদেরকে টোন-টিটকিরি করেছিল সেই সময় একটা গন্ডগোল বাঁধে। যদি এই ঘটনাকে নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি পুলিশের কাছে। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা রাত্রেই এসপি অফিসের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

Advertisements